বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড গানের শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু আর নেই। বৃহস্পতিবার ১৮ অক্টোবর তিনি সবাইকে কাদিয়ে চলে যান না ফেরার দেশে।
তিনি আমাদের সকলের মাঝথেকে চিরতরে বিদায় নিয়ে চলে গেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে অচেতন অবস্থায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারপর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বাংলা ব্যান্ড গানের সাথে যুক্ত ছিলেন।
তিনি বাংলাদেশের ব্যান্ড গানকে উচ্চ আসনে নিয়ে যান। তিনি দেশ বিদেশে অনেক সুনাম অর্জন করেন।
পেশাদার ব্যান্ডশিল্পী হিসেবে বচ্চুর ক্যারিয়ার শুরু ১৯৭৮ সালে। এবং আস্ততে আস্তে সবার মন জয় করে নেন।
শুক্রবারে সকাল সাড়ে ১০টায় আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ সবার শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। জুমার পর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তারপর মরদেহ রাখা হবে হিমঘরে। কারন তার ছেলেমেয়ি ফিরবে শনিবারে।
তার ছেলে অস্ট্রেলিয়া থেকে এবং মেয়ে কানাডা থেকে শনিবারে ফিরবেন। শনিবারে তারা ফিরার পর তার জন্মস্থান চট্টগ্রামে নেওয়া হবে জনপ্রিয় এই ব্যন্ড শিল্পীর মরদেহ। সেখানে তার আরেক বার জানাজার পরে তাকে তার মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
তিনি বাংলা ব্যান্ড গানের সাথে যুক্ত ছিলেন।
তিনি বাংলাদেশের ব্যান্ড গানকে উচ্চ আসনে নিয়ে যান। তিনি দেশ বিদেশে অনেক সুনাম অর্জন করেন।
পেশাদার ব্যান্ডশিল্পী হিসেবে বচ্চুর ক্যারিয়ার শুরু ১৯৭৮ সালে। এবং আস্ততে আস্তে সবার মন জয় করে নেন।
ব্যান্ড দলের গানে সবসময় তিনি নিজেই সুর করতেন বাদ্য যন্ত হিসেবে গিটার বাজাতেন। বলতে গেলে তিনি ছিলেন এক সৃজনশীল একজন শিল্পী । তার এমন হঠাত মৃত্যুতে বাংলা ব্যান্ড গানের উপর খুব খারাপ প্রভাব পরে।
তার জন্ম ১৯৬২ সালে, ১৬ আগষ্ট। তার ঢাক নিম ছিল রবিন। তার এমন রঙিন গানের সুর বেশি দিন বাজতে পারে নি তার মাত্র বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। গিটার বাদনে তার খ্যাতি ছিল পুরো উপমহাদেশেই। সারা উপমহাদেশেই তিনি অনেক খ্যাতি অজর্ন করেন।
আইয়ুব বাচ্চুর কণ্ঠে এই গান গুলো ই জায়গা করে নেয় সারা বিশ্বে, একা কাশের তারা 'ফেরারী এই মনটা আমার’, ‘আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘একদিন ঘুমভাঙা শহরে’, ‘চল বদলে যাই’, ‘এখন অনেক রাত’, ‘রুপালি গিটার’, ‘ তার এসব গান গুলো শ্রোতাদের হৃদয়ে বাজবে সারাজীবন।
সকালে তার মৃত্যুর খবরে দেশের শিল্পী সমাজের অঙ্গনে নেমে আসে এক ঘন কালো মেঘের ছায়া। ভক্ত শ্রোতাদের পাশাপাশি সংগীত জগতের অনেকেই ছুটে আসেন হাসপাতালে।
আইয়ুব বাচ্চু বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন হৃদরোগের কারণে সপ্তাহ দুই আগেও একবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। মগবাজারের বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সকালে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
“সকালে উনার হার্ট অ্যাটাক হয়। সকাল ৯টার দিকে তার ড্রাইভার তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিন্তু হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়।”
গত ১৬ অগাস্ট তার জন্মদিন পালন করা হয়েছিল।
এক সাক্ষাৎকারে বাচ্চু বলেছিলেন, ছেলে বেলায় গান শুনতে শুনতে নিজে চেষ্টা করতে গিয়েই তার গায়ক হয়ে ওঠা। তারপর থেকে নিজেই তুলে গিটার সবার কাজ থেকে পেয়েছেন অনুপ্রেরণা। তাই অতি দূর্ত এগিয়ে যান সামনের দিকে।
অবশেষে ২০১৮/১০/১৮ তারিখে তার সম্পতি ঘটে। তিনি চিরতরে বিদায় নিয়ে নেন সব ভক্তদের কাছথেকে।
আল্লাহযেন তাকে জান্নাত নসিব করেন।
Romanbd14.blogspot.com


No comments:
Write comments