Welcome To Roman bd 14.com

Wednesday, October 31, 2018

Only 11 Taka Smart Phone। মাত্র ১১ টাকায় স্মাটফোন।


বিশ্বাস হচ্ছে না এমটাই সঠিক এবার বাংলাদেশেও এল এরকম দামাক্কা অফার। শুধু স্মাটফোনি নয় থাকছে আর নানা রকমের পন্য। এই দারুন সুযোগ দিচ্ছে একমাত্র Darazbd online shoping এ।

এখন বাংলাদেশেও মাত্র ১১ টাকায়  ক্রেতাদের জন্য স্মার্টফোন দিবে চীনা ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলীবাবা। বাংলাদেশের ই-কমার্স প্লাটফর্ম দারাজ ডটকমের মাধ্যমে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ‘বিশ্বের বৃহত্তম সেল ডে’ তে এই অফার দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
১৮.১০.২০১৮ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে দারাজের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
আগামী ১১ নভেম্বর সিমিত সময়ের জন্য মাত্র ২৪ ঘণ্টায় এই বিশেষ অফার নিতে পারবেন দারাজের ক্রেতারা। 
২০০৯ সালে চীনের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলিবাবা ১১.১১ নামের একটি ক্যাম্পেইন চালু করে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি চার দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করা দারাজকে কিনে নেয়ায় প্রায় এক দশক পর এই সুযোগ নিতে পারছেন বাংলাদেশের ক্রেতারা।
কম্পানিটির দাবি, তাদের এই ক্যাম্পেইন হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন কেনাকাটার উৎসব। এটি অ্যামাজনের প্রাইম ডে’র তুলনায় ১৮ গুণ বড় ও ব্ল্যাক ফ্রাইডের তুলনায় আড়াই গুণ বড় হবে।
এই ক্যাম্পেইনের পণ্য কেনায় ৮৩ শতাংশ ছাড় রয়েছে। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ১১ টাকা ডিল ছাড়া রয়েছে মিস্ট্রি বক্স, ডাবল টাকা ভাউচার, ফ্ল্যাশ সেল, ব্র্যান্ড ভাউচার, ব্যাংক ডিসকাউন্ট অভার।
১১ টাকা ডিলে কী কী পণ্য পাওয়া যাবে- এমন প্রশ্নে উদাহরণ হিসেবে স্মার্টফোনের কথা বলেন মোস্তাহিদুল হক। তবে তিনি বলেন, ১১ টাকায় যেসব পণ্য দেয়া হবে তার সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০ করার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। এই অফারের আওতায় কী কী পণ্য পাওয়া যাবে তা ১০ তারিখেই জানা যাবে।
1st 18.10.2018
Up date 31.10.2018


Tuesday, October 30, 2018

Tips for heightening the height. উচ্চতা বৃদ্ধির কিছু কার্যকরী টিপস।


এই কাজ গুলো নিয়মিত  করলে আপনার উচ্চতার পরিবর্তন ঘটবে। 

 চাইলেই কি আর লম্বা হওয়া যায়। তার জন্য করতে হয় কত সাধনা। না খেয়ে বসে থাকতে হবে বা নিতে হবে ডাক্তারের পরামর্শ। কি ভয় পেয়ে গেলেন শুরুতেই। না এমন কিছুই করতে হবেনা আপনাকে।
 উচ্চতা বাড়াতে শুধু দরকার নিম্নোক্ত সাতটি ব্যায়াম অভ্যাস করার।
নিয়মিত সঠিক নিয়মে পালন করতে পারলে আপনার উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে অনেকাংশেই। তবে ঠিক ভাবে করতে না পারলে ফল হবে না কোনভাবেই।

এই ব্যায়ামগুল করার আগে হাল্কা একটু পরিশ্রম করে নিতে ভুলবেন না যেন। এতে ব্যায়াম করতে গিয়ে হঠাত ব্যাথা পেয়ে বিপদ ঘটার সম্ভাবনা কমে আসবে।
 এবার আসুন জেনে নেই এই  ব্যায়ামগুলো সম্পর্কে-

১। প্রথম ব্যায়ামঃ
দেয়ালের সাথে পিঠ লাগিয়ে দাঁড়ান। এভাবে দাড়িয়ে নিজেকে দেয়ালের সমান্তরালে সোজা রাখবার চেষ্টা করুন। সেই সাথে চেষ্টা করতে হবে, আপনার শরীরের পেছন দিকটির পায়ের গোড়ালি থেকে শুরু করে মাথা পর্যন্ত যেন দেয়াল স্পর্শ করতে পারে। এভাবে দেয়াল স্পর্শ করে সোজা হয়ে স্ট্রেচ করার চেষ্টা করুন। এভারে ৯ থেকে ১০ বার করুন ব্যায়ামটি।

২। দ্বিতীয় ব্যায়ামঃ
প্রথম ব্যায়াম শেষ হবার পরে এই পর্যায়ে রিং বা বারের সাহায্যে হাতের ভরে ঝুলে পড়ুন। শরীররের ভার ছেড়ে দিন। পা দুটিকে দুলতে দিন পেন্ডুলামের মত। অনুভব করুন মধ্যাকর্ষণ শক্তি নিজের উপরে। এভাবে ১৫ সেকেন্ড পর্যন্ত ঝুলে থেকে ছেড়ে দিন নিজেকে। আবার একই প্রক্রিয়ায় করুন এই ব্যায়াম। এক সেটে ৯ থেকে ১০ বার করতে পারেন। 
অনেকর আশপাশে রিং রাও থাকতে পারে তাদের জন্য অন্য কোন বিকল্প রাস্তা খুজতে হবে যেমন বিশেষ করে গাছে যোল দেওয়া বা লটকিয়ে পরা।

৩। তৃতীয় ব্যায়ামঃ

এবার আবার রিং অথবা গাছের ডাল ধরুন। তবে এবার ঝুলে থাকতে হবেনা। বরং রিং বা ডালে  ধরে নিজেকে উপরে উঠানোর চেষ্টা করুন। এভাবে একবার উপরে উঠতে পারলে তারপর নিজের শরীরের ভার ছেড়ে দিন। ছেড়ে দিয়ে প্রায় ৩ মিনিট পর্যন্ত ঝুলে থাকুন।

এভাবে এই ব্যায়ামটি ৬ সেটে শেষ করুন। মনে রাখবেন শুরুতেই ৩ মিনিট ধরে ঝুলবেন না। আপনার শরীর যে পরিমাণ নিতে পারবে সে পরিমাণ করবেন। ধীরে ধীরে সময় বাড়িয়ে ৪ মিনিট করুন।

৪। চতুর্থ ব্যায়ামঃ
এই পর্যায়ে এসে শুধুমাত্র রিং বা ডাল ধরে ৩ মিনিট করে ঝুলে থাকুন। এভাবে ৭ বার করুন।

৫। পঞ্চম ব্যায়ামঃ
এই পর্যায়ে এসে ব্যায়ামটি একটু কঠিন মনে হবে। এবার আপনাকে রিঙে বা  বারে উল্টা হয়ে পায়ের হাঁটুর ভাজের সাহায্যে ঝুলতে হবে। উল্টা হয়ে ঝুলে নিজের শরীর ছেড়ে দিন। হাত দুটিকে ঝুলতে দিন। এভাবে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন।

গোনা শেষ হলে নেমে পড়ুন। এই পর্যায়টি সম্পন্ন করতে কারো সাহায্য নিন। ধীরে ধীরে করার চেষ্টা করুন। একবারে না পারলে জোর খাটাবেন না নিজের প্রতি। ধীরে ধীরে শেখার চেষ্টা করুন। তারপরও আয়ত্তে আনতে না পারলে এই ব্যায়ামটির সব থেকে কাছাকাছি যতটুকু করতে পারবেন তাই করবেন। তাতে কিছুটা হলেও সাহায্য হতে পারে।

৬। ষষ্ঠ ব্যায়ামঃ
আপনি যদি এই পর্যায়ে এসে পড়েন তবে আপনার জন্য সুখবর হল, সব থেকে কঠিন পর্যায় পার করে এসেছেন আপনি। এরপরে আর রিং  ঝুলতে হবেনা আপনাকে। এবার যা করতে হবে তা হল আপনি যেখানে দাড়িয়ে আছেন সেখান থেকে আপনার বাম দিকে দীর্ঘ একটি লাফ দিন প্রথমে। সেই সাথে চেষ্টা করুন ডান পায়ের ভরে অবতরন করতে। অর্থাৎ লাফ দিয়ে নামার সময় ডান পা আগে মাটি স্পর্শ করবে। লাফ দেয়ার সময় চেষ্টা করবেন যত দীর্ঘ সম্ভব তত দীর্ঘ লাফ দিতে।

৭। সপ্তম ব্যায়ামঃ
এই পর্যায়ে আমরা আমাদের ব্যায়াম রুটিনের শেষ ধাপে পৌঁছে গেছি। এই পর্যায়ে আপনি আপনার পেটের ভরে মাটিতে শুয়ে পড়ুন। আপনার শরীর এবং পা থাকবে সোজা এবং টানটান।

হাত দুটোকে তুলে দিন আপনার পেছন দিকে এবং টানটান অবস্থায় রাখুন। এবার এই অবস্থায় থেকে নিজেকে যতটা সম্ভব বাঁকা করে তুলে ধতে চেষ্টা করুন। আপনার মাথা এবং ঘাড় থাকবে সামনের দিকে সোজা অবস্থায়। এভাবে ৮ থেকে ১০ বার চেষ্টা করুন।

মনে রাখবেনঃ
এভাবে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন করে নিয়মিত ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। এগুলো মূলত স্ট্রেচিং ব্যায়াম যা আপনার শরীরের আড়ষ্টতা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। শরীরের আড়ষ্টভাব কেটে গেলে উচ্চতা বাড়তে শুরু করে। তবে এ সবই সম্ভব হবে যদি আপনার বয়স ২৫ এর নিম্নে হয়ে থাকে তবেই। কারণ ২৫ বছর পর্যন্তই কেবলমাত্র আমাদের দৈহিক বৃদ্ধি হয়ে থাকে। তবে যখনই ব্যায়াম করবেন না কেন আগে কিছু ফ্রি হ্যান্ড বা হাল্কা দৌড়ে শরীর ব্যায়াম করার উপযোগী করে নিতে ভুলবেন না যেন।

সেই সাথে আরও খেয়াল রাখবেন যে অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল নয়। মাত্রাতিরিক্ত ব্যায়াম করলে দ্রুত উচ্চতা বাড়বে তা যদি ভেবে থাকেন তবে ভুল করবেন। বরং অতিরিক্ত ব্যায়াম অনেক সময় উচ্চতার বৃদ্ধি রোধ করে দেয়। তবে শুধু ব্যায়াম করলেই হবেনা। সুষম খাদ্যও গ্রহন করতে হবে। সেই সাথে জীবনযাত্রায় আনতে হবে পজিটিভ মনোভাব। এসবের সাথে ত্যাগ করতে হবে অন্য আন্য সব খারাপ জীবনাচার এবং খারাপ অভ্যাসগুলোকেও। তবেই সম্ভব হবে সুস্থতার সাথে আপনার উচ্চতার বৃদ্ধি।
নিয়মিত এই কাজ গুলো করলে আপনার দৈহিক উচ্চতার অনেকটা পরিবর্তন সাধিত হবে।


Romanbd14.blogspot.com 

Sunday, October 21, 2018

Ceicket News। খেলার খবর।




মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আজ জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। বেলা ২টা ৩০ মিনিটে । খেলাটি সরাসরি সম্প্রচার করবে বিটিভি, গাজী টিভি ও স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট-১। এ ম্যাচ দিয়েই শুরু হচ্ছে মাশরাফিদের নতুন মৌসুম।

বাংলাদেশ দলে থাকছেন

লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, মুশফিকুর রহিম (W), মাহমুদুল্লাহ, মো। মীথুন, মো। সাইফুদ্দীন / ফজলে মাহমুদ, মেহেদী হাসান, মাশরাফি মুর্তজা (C), মুস্তাফিজুর রহমান, নাজমুল ইসলাম, রুবেল হোসেন।

জিম্বাবুয়ের দলে থাকছেন,

সলোমন মায়ার, হ্যামিল্টন মাসাকাদজা (C), ক্রেগ এরভিন, ব্রেন্ডন টেলর (W), শন উইলিয়ামস, পিটার মুর, এলটন চিগুম্বুরা / সিকান্দার রাজা, ব্র্যান্ডন মাভুতা, কাইল জার্ভিস, ডোনাল্ড তিরিপানো, তেন্ডাই চাতারা।

শুভকামনা টাইগারদের জন্য।


Friday, October 19, 2018

Ayub Bachchu Janaza। আইয়ুব বাচ্চুর জানাজার নামাজ।




বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড গানের শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু আর নেই। বৃহস্পতিবার ১৮ অক্টোবর তিনি সবাইকে কাদিয়ে চলে যান না ফেরার দেশে।
তিনি আমাদের সকলের মাঝথেকে চিরতরে বিদায় নিয়ে চলে গেছেন। বৃহস্পতিবার  সকালে তাকে অচেতন অবস্থায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তারপর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শুক্রবারে সকাল সাড়ে ১০টায় আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ সবার শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য নেওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। জুমার পর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তারপর মরদেহ রাখা হবে হিমঘরে। কারন তার ছেলেমেয়ি ফিরবে শনিবারে।
তার ছেলে অস্ট্রেলিয়া থেকে এবং মেয়ে কানাডা থেকে শনিবারে ফিরবেন। শনিবারে তারা ফিরার পর তার জন্মস্থান চট্টগ্রামে নেওয়া হবে জনপ্রিয় এই ব্যন্ড শিল্পীর মরদেহ। সেখানে তার আরেক বার জানাজার পরে তাকে তার মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

তিনি বাংলা ব্যান্ড গানের সাথে যুক্ত ছিলেন।
তিনি বাংলাদেশের ব্যান্ড গানকে উচ্চ আসনে নিয়ে যান। তিনি দেশ বিদেশে অনেক সুনাম অর্জন করেন।
পেশাদার ব্যান্ডশিল্পী হিসেবে বচ্চুর ক্যারিয়ার শুরু ১৯৭৮ সালে। এবং আস্ততে আস্তে সবার মন জয় করে নেন।
ব্যান্ড দলের গানে সবসময় তিনি নিজেই সুর করতেন বাদ্য যন্ত হিসেবে গিটার বাজাতেন। বলতে গেলে তিনি ছিলেন এক সৃজনশীল একজন শিল্পী । তার এমন হঠাত মৃত্যুতে বাংলা ব্যান্ড গানের উপর খুব খারাপ প্রভাব পরে।
তার জন্ম ১৯৬২ সালে, ১৬ আগষ্ট।  তার ঢাক নিম ছিল রবিন। তার এমন রঙিন গানের সুর বেশি দিন বাজতে পারে নি তার মাত্র বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। গিটার বাদনে তার খ্যাতি ছিল পুরো উপমহাদেশেই। সারা উপমহাদেশেই তিনি অনেক খ্যাতি অজর্ন করেন।

আইয়ুব বাচ্চুর কণ্ঠে এই গান গুলো ই জায়গা করে নেয় সারা বিশ্বে, একা কাশের তারা 'ফেরারী এই মনটা আমার’, ‘আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘একদিন ঘুমভাঙা শহরে’, ‘চল বদলে যাই’, ‘এখন অনেক রাত’, ‘রুপালি গিটার’, ‘ তার এসব গান গুলো শ্রোতাদের হৃদয়ে বাজবে সারাজীবন। 
সকালে তার মৃত্যুর খবরে দেশের শিল্পী সমাজের অঙ্গনে নেমে আসে এক ঘন কালো মেঘের ছায়া।  ভক্ত শ্রোতাদের পাশাপাশি সংগীত জগতের অনেকেই ছুটে আসেন হাসপাতালে।
আইয়ুব বাচ্চু বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন হৃদরোগের কারণে সপ্তাহ দুই আগেও একবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। মগবাজারের বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সকালে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

“সকালে উনার হার্ট অ্যাটাক হয়। সকাল  ৯টার দিকে তার ড্রাইভার তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিন্তু হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়।”
গত ১৬ অগাস্ট তার জন্মদিন পালন করা হয়েছিল। 


এক সাক্ষাৎকারে বাচ্চু বলেছিলেন, ছেলে বেলায় গান শুনতে শুনতে নিজে চেষ্টা করতে গিয়েই তার গায়ক হয়ে ওঠা। তারপর থেকে নিজেই তুলে গিটার সবার  কাজ থেকে পেয়েছেন অনুপ্রেরণা। তাই অতি দূর্ত এগিয়ে যান সামনের দিকে।

অবশেষে ২০১৮/১০/১৮ তারিখে তার সম্পতি ঘটে। তিনি চিরতরে বিদায় নিয়ে নেন সব ভক্তদের কাছথেকে।

আল্লাহযেন তাকে জান্নাত নসিব করেন।


Romanbd14.blogspot.com


Call for c452 digital printer machine problem solved


Today, I will discuss a very important issue, which is an important problem in the digital printer machine.

The issues are: Call for service c532 C460.c410, we are constantly in the problems. Let's discuss how to solve this problem.


Solution: When the problem will be over. Then you have to do some work, then you will get the solution.


1. At first you have to shut down the machine.

2. After this, 08 will be pressed down together.

3. Then there you will find the numbers there, you can write 2002 there.

4. Then you can show some numbers in front of you like: 62.69.59 etc. Whatever you do, you will make it 0.

5. Then shut down the machine and turn it back on again to see if your problem is resolved.


Stay tuned till today, stay healthy.


® Romanbd14.Blogspot.com

Call for Service c452 Digital Printer Problem solved। প্রিন্টার মেশিনের C452 সমস্যার সমাধান।


আজকে আমি একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব, সেটি হচ্ছে ডিজিটাল প্রিন্টার মেশিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা নিয়ে।
সমস্যা গুলো হল: Call for service c532. c460.c410 ইত্যাই সমস্যা গুলোতে আমরা প্রতিনিয়ত পরে  থাকি। চলুন কিভাবে এই সমস্যাটি সমাধান করব তা নিয়ে আলোচনা করি।

সমাধান: যখন উপরুক্ত সমস্যাটি হবে। তখন আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে তাহলেই আপনি সমাধান পাবেন।

১। প্রথমে আপনাকে মেশিনটি বন্ধ করতে হবে।
২। এর পরে ০৮ একসাথে চেপে ধরতে হবে।
৩। তারপর ওখানে সংখ্যা চাবে আপনি ওখানে ২০০২ লিখবেন।
৪। পরে আপনার সামনে কিছু সংখ্যা দেখাতে পারে যেমন: ৬২.৬৯.৫৯ ইত্যাদি। যাই থাকুক না কেন আপনি তা ০ করে দিবেন।
৫। তারপর  মেশিনটি পুনরায় বন্ধ করে আবার চালু করবেন দেখবেন আপনার সমস্যাটি সমাধান হয়ে গেছে।

আজকে এই পর্যন্তই সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

® Romanbd14.Blogspot.com 

Thursday, October 18, 2018

Bangli Singer Ayub Bacchu is death



Artist Ayub Bachchu, who is very much named in Bengali, is not present in this world. He has not been able to send us away from all of us forever, not in the country of return. He died this morning at the Dhaka Square Hospital, Ennellullah wa Inna Elyaheer Razifon. Ayub Bacchu was one of the very popular artists of Bengal. He had many contributions to the Bengali song. In his sudden death, the artist's world suffered a lot of losses. But what to do anymore .


Allaah would make him aware of Paradise.


News

By Romanbd14.blogspot.com

Ayub Bachchu is death। আইয়ুব বাচ্চু মারা গেছেন।


বাংলাদের খুব নাম করা শিল্পী  আইয়ুব বাচ্চু আর এ পৃথিবীতে নেই। এখন থেকে তার আর রুপালি গিটারের সুর বাজবে না। তিনি আমাদের সকলের মাঝ থেকে চিরতরে বিদায় নিয়ে চলে গেছেন, না ফেরার দেশে। তিনি বৃহস্পতিবার মারা যান।

সকাল ৯ টার দিকে তার ড্রাইবার তাকে অচেতন অবস্থথায় তাকে হাসপাতালে  নিয়ে যান। তারপর ওই হাসপাতালের কর্মরত ডাক্তার তাকে মৃত গুসনা করেন। তিনি ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন, ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহির রাজিউন।  তিনি হৃদ রোগে আক্রান্ত ছিলেন অবশেষে তিনি সবাইকে ছেড়ে চলেই গেলেন।

 তার জন্ম ১৯৬২ ১৬ আগষ্ট  মুত্যু ২০১৮ ১৮অক্টোবর । তিনি মাত্র ৫৬ বছর বেচেঁ ছিলেন। আইয়ুব বাচ্চু তিনি বাংলাদের একজন খুব ভাল ও জনপ্রিয় শিল্পী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি বাংলা ব্যান্ড গানের সাথে যুক্ত ছিলেন।  বাংলা ব্যান্ড গানে তার গুরুত্বপূর্ণ  অবদান ছিল। তার এরকম অকাল মৃতুতে শিল্পী জগতের অনেকটাই ক্ষতি গ্রস্ত হয়। কিন্তু কি আর করার । তিনি মরে গিয়েও আমাদের মাঝে বেচেঁ থাকবেন চিরকাল।

আজ শনিবার তার দুই ছেলে মেয়ে দেশে ফিরলে তাকে তার জন্মস্থান চট্রগ্রামে দ্বীতীয় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে পরে তাকে তার মায়ের কবরের পাশে কবর দেওয়া হবে।

আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত নসিব করেন।

News Iasted Update 20.10.18
By Romanbd14.blogspot.com

Wednesday, October 17, 2018

How to Riders Banglai language tips



যারা বাংলা টাইপ করতে যানেন না তাদের জন্য, আজকে নিয়ে আসলাম খুব শিক্ষনীয় একটি টিপস। 
আজকে এখানে আমি আপনাদেরকে দেখাবো যে কিভাবে আপনি বাংলা যুক্তবর্ণ গুলো লিখবেন এখানে সব যুক্তবর্ণ দেওয়া আছে।
 কোনটা  সাথে কি যুক্ত করবেন সেটা আমি আপনাদেরকে দেখাবো।
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
♥♥♥

বাংলা যুক্তবর্ণ টাইপ শিখার সহজ ও সুন্দর কৌশল

১। ক্ষ:ক+ষ।
২। ষ্ণ:ষ+ণ।
৩। ঞ্জ:ঞ+জ।
৪।হ্ম: হ+ম
৫। ঞ্চ: ঞ+চ
৬। ঙ্গ: ঙ+গ
৭। ঙ্ক: ঙ+ক
৮। ট্ট: ট+ট
৯। ক্ষ্ম:ক+ষ+ম
১০। হ্ন: হ+ন
১১। ব্ধ: ব+ধ
১২। ক্র: ক+রফলা
১৩। গ্ধ: গ+ধ
১৪। ত্র: ত+রফলা
১৫। ক্ত:ক+ত
১৬। ক্স: ক+স
১৭। ত্থ: ত+থ
১৮। ত্ত:ত+ত
১৯। ত্ব:ত+ব
২০।ক্ক: ক+ক
২১।ক্ট:ক+ট
২২। ক্ব:ক+ব
২৩। ক্ম: ক+ম
২৪। ক্ল:ক+ল
২৫। ক্ষ্ব:ক+ষ+ব
২৬।ক্স:ক+স
২৭। গ্ণ:গ+ণ
২৮। গ্ধ: গ+ধ
২৯। গ্ল: গ+ল
৩০।ঙ্ক: ঙ+ক
৩১। ঙ্ক্ষ: ঙ+ক+ষ
৩২। ঙ্খ: ঙ+খ
৩৩। ঙ্গ:ঙ+গ
৩৪। ঙ্ত:ঙ+ত
৩৫। ঙ্ঘ:ঙ+ঘ
৩৬। ঙ্ম:ঙ+ম
৩৭। চ্চ:চ+চ 
৩৮। চ্ছ:চ+ছ
৩৯। চ্ছ্ব:চ+ছ+ব
৪০। চ্ঞ:চ+ঞ
৪১। চ্ব:চ+ব
৪২। জ্জ:জ+জ
৪৩। জ্জ্ব:জ+জ+ব
৪৪। জ্ঝ:জ+ঝ
৪৫।জ্ব:জ+ব
৪৬।ঞ্চ:ঞ+চ
৪৭।ঞ্ছ:ঞ+ছ
৪৮। ঞ্জ:ঞ+জ
৪৯।ঞ্ঝ:ঞ+ঝ
৫০। ড্ড:ড+ড

৫১। ড্ব: ড+ব
৫২। ড্গ: ড+গ
৫৩। ণ্ট: ণ+ট
৫৪। ণ্ঠ: ণ+ঠ
৫৫। ণ্ড: ণ+ড
৫৬। ণ্ণ। ণ+ণ
৫৭। ণ্ব: ণ+ব
৫৮। স্থ : স+থ
৫৯। ত্ন:ত+ন
৬০। ত্ব: ত+ব
৬১। ত্ম:ত+ম
৬২। ত্ত:ত+ত
৬৩। ত্স:ত+স
৬৩। দ্দ:দ+দ
৬৪। দ্ঘ:দ+ঘ
৬৫। দ্ব:দ+ব
৬৬। দ্য:দ+য
৬৭। দ্ন :দ+ন
৬৮। প্ব:প+ব
৬৯। জ্ঞ:জ+ঞ
৭০। হ্ম:হ+ম

আপনাদের কে আরো সুন্দরভাবে বুঝানোর জন্য
নিচে যুক্তবর্ণের কিছু তালিকা দেওয়া হল, উদাহরন সহ যা আপনাকে বাংলা সঠিকভাবে লিখতে সহায়তা করবে। 

ক্ক = ক + ক; যেমন- আক্কেল, টেক্কা
ক্ট = ক + ট; যেমন- ডক্টর 
ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন- অক্ট্রয়
ক্ত = ক + ত; যেমন- রক্ত
ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন- বক্ত্র
ক্ব = ক + ব; যেমন- পক্ব, ক্বণ
ক্ম = ক + ম; যেমন- রুক্মিণী
ক্য = ক + য; যেমন- বাক্য
ক্র = ক + র; যেমন- চক্র
ক্ল = ক + ল; যেমন- ক্লান্তি
ক্ষ = ক + ষ; যেমন- পক্ষ
ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন- তীক্ষ্ণ
ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন- ইক্ষ্বাকু
ক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন- লক্ষ্মী
ক্ষ্ম্য = ক + ষ + ম + য; যেমন- সৌক্ষ্ম্য
ক্ষ্য = ক + ষ + য; যেমন- লক্ষ্য
ক্স = ক + স; যেমন- বাক্স
খ্য = খ + য; যেমন- সখ্য
খ্র = খ+ র যেমন; যেমন- খ্রিস্টান
গ্ণ = গ + ণ; যেমন - রুগ্ণ
গ্ধ = গ + ধ; যেমন- মুগ্ধ
গ্ধ্য = গ + ধ + য; যেমন- বৈদগ্ধ্য
গ্ধ্র = গ + ধ + র; যেমন- দোগ্ধ্রী
গ্ন = গ + ন; যেমন- ভগ্ন
গ্ন্য = গ + ন + য; যেমন- অগ্ন্যাস্ত্র, অগ্ন্যুৎপাত, অগ্ন্যাশয়
গ্ব = গ + ব; যেমন- দিগ্বিজয়ী
গ্ম = গ + ম; যেমন- যুগ্ম
গ্য = গ + য; যেমন- ভাগ্য
গ্র = গ + র; যেমন- গ্রাম
গ্র্য = গ + র + য; যেমন- ঐকাগ্র্য, সামগ্র্য, গ্র্যাজুয়েট
গ্ল = গ + ল; যেমন- গ্লানি
ঘ্ন = ঘ + ন; যেমন- কৃতঘ্ন
ঘ্য = ঘ + য; যেমন- অশ্লাঘ্য
ঘ্র = ঘ + র; যেমন- ঘ্রাণ
ঙ্ক = ঙ + ক; যেমন- অঙ্ক
ঙ্ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন- পঙ্ক্তি
ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন- অঙ্ক্য
ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন- আকাঙ্ক্ষা
ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন- শঙ্খ
ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন- অঙ্গ
ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন- ব্যঙ্গ্যার্থ, ব্যঙ্গ্যোক্তি
ঙ্ঘ = ঙ + ঘ; যেমন- সঙ্ঘ
ঙ্ঘ্য = ঙ + ঘ + য; যেমন- দুর্লঙ্ঘ্য
ঙ্ঘ্র = ঙ + ঘ + র; যেমন- অঙ্ঘ্রি
ঙ্ম = ঙ + ম; যেমন- বাঙ্ময়
চ্চ = চ + চ; যেমন- বাচ্চা
চ্ছ = চ + ছ; যেমন- ইচ্ছা
চ্ছ্ব = চ + ছ + ব; যেমন- জলোচ্ছ্বাস
চ্ছ্র = চ + ছ + র; যেমন- উচ্ছ্রায়
চ্ঞ = চ + ঞ; যেমন- যাচ্ঞা
চ্ব = চ + ব; যেমন- চ্বী
চ্য = চ + য; যেমন- প্রাচ্য
জ্জ = জ + জ; যেমন- বিপজ্জনক
জ্জ্ব = জ + জ + ব; যেমন- উজ্জ্বল
জ্ঝ = জ + ঝ; যেমন- কুজ্ঝটিকা
জ্ঞ = জ + ঞ; যেমন- জ্ঞান
জ্ব = জ + ব; যেমন- জ্বর
জ্য = জ + য; যেমন- রাজ্য
জ্র = জ + র; যেমন- বজ্র
ঞ্চ = ঞ + চ; যেমন- অঞ্চল
ঞ্ছ = ঞ + ছ; যেমন- লাঞ্ছনা
ঞ্জ = ঞ + জ; যেমন- কুঞ্জ
ঞ্ঝ = ঞ + ঝ; যেমন- ঝঞ্ঝা
ট্ট = ট + ট; যেমন- চট্টগ্রাম
ট্ব = ট + ব; যেমন- খট্বা
ট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল
ট্য = ট + য; যেমন- নাট্য
ট্র = ট + র; যেমন- ট্রেন
ড্ড = ড + ড; যেমন- আড্ডা
ড্ব = ড + ব; যেমন- অন্ড্বান
ড্য = ড + য; যেমন- জাড্য
ড্র = ড + র; যেমন- ড্রাইভার, ড্রাম
ড়্গ = ড় + গ; যেমন- খড়্গ
ঢ্য = ঢ + য; যেমন- ধনাঢ্য
ঢ্র = ঢ + র; যেমন- মেঢ্র
ণ্ট = ণ + ট; যেমন- ঘণ্টা
ণ্ঠ = ণ + ঠ; যেমন- কণ্ঠ
ণ্ঠ্য = ণ + ঠ + য; যেমন- কণ্ঠ্য
ণ্ড = ণ + ড; যেমন- গণ্ডগোল
ণ্ড্য = ণ + ড + য; যেমন- পাণ্ড্য
ণ্ড্র = ণ + ড + র; যেমন- পুণ্ড্র
ণ্ঢ = ণ + ঢ; যেমন- ষণ্ঢ
ণ্ণ = ণ + ণ; যেমন- বিষণ্ণ
ণ্ব = ণ + ব; যেমন- স্হাণ্বীশ্বর
ণ্ম = ণ + ম; যেমন- চিণ্ময়
ণ্য = ণ + য; যেমন- পূণ্য
ৎক = ত + ক; যেমন- উৎকট
ত্ত = ত + ত; যেমন- উত্তর
ত্ত্ব = ত + ত + ব; যেমন- সত্ত্ব
ত্ত্য = ত + ত + য; যেমন- উত্ত্যক্ত
ত্থ = ত + থ; যেমন- অশ্বত্থ
ত্ন = ত + ন; যেমন- যত্ন
ত্ব = ত + ব; যেমন- রাজত্ব
ত্ম = ত + ম; যেমন- আত্মা
ত্ম্য = ত + ম + য; যেমন- দৌরাত্ম্য
ত্য = ত + য; যেমন- সত্য
ত্র = ত + র যেমন- ত্রিশ, ত্রাণ
ত্র্য = ত + র + য; যেমন- বৈচিত্র্য
ৎল = ত + ল; যেমন- কাৎলা
ৎস = ত + স; যেমন- বৎসর, উৎসব
থ্ব = থ + ব; যেমন- পৃথ্বী
থ্য = থ + য; যেমন- পথ্য
থ্র = থ + র; যেমন- থ্রিপিচ
দ্গ = দ + গ; যেমন- উদ্গম
দ্ঘ = দ + ঘ; যেমন- উদ্ঘাটন
দ্দ = দ + দ; যেমন- উদ্দেশ্য
দ্দ্ব = দ + দ + ব; যেমন- তদ্দ্বারা
দ্ধ = দ + ধ; যেমন- রুদ্ধ
দ্ব = দ + ব; যেমন- বিদ্বান
দ্ভ = দ + ভ; যেমন- অদ্ভুত
দ্ভ্র = দ + ভ + র; যেমন- উদ্ভ্রান্ত
দ্ম = দ + ম; যেমন- ছদ্ম
দ্য = দ + য; যেমন- বাদ্য
দ্র = দ + র; যেমন- রুদ্র
দ্র্য = দ + র + য; যেমন- দারিদ্র্য
ধ্ন = ধ + ন; যেমন- অর্থগৃধ্নু
ধ্ব = ধ + ব; যেমন- ধ্বনি
ধ্ম = ধ + ম; যেমন- উদরাধ্মান
ধ্য = ধ + য; যেমন- আরাধ্য
ধ্র = ধ + র; যেমন- ধ্রুব
ন্ট = ন + ট; যেমন- প্যান্ট 
ন্ট্র = ন + ট + র; যেমন- কন্ট্রোল 
ন্ঠ = ন + ঠ; যেমন- লন্ঠন
ন্ড = ন + ড; যেমন- গন্ডার, পাউন্ড
ন্ড্র = ন + ড + র; যেমন- হান্ড্রেড
ন্ত = ন + ত; যেমন- জীবন্ত
ন্ত্ব = ন + ত + ব; যেমন- সান্ত্বনা
ন্ত্য = ন + ত + য; যেমন- অন্ত্য
ন্ত্র = ন + ত + র; যেমন- মন্ত্র
ন্ত্র্য = ন + ত + র + য; যেমন- স্বাতন্ত্র্য
ন্থ = ন + থ; যেমন- গ্রন্থ
ন্থ্র = ন + থ + র; যেমন- অ্যান্থ্রাক্স 
ন্দ = ন + দ; যেমন- ছন্দ
ন্দ্য = ন + দ + য; যেমন- অনিন্দ্য
ন্দ্ব = ন + দ + ব; যেমন- দ্বন্দ্ব
ন্দ্র = ন + দ + র; যেমন- কেন্দ্র
ন্ধ = ন + ধ; যেমন- অন্ধ
ন্ধ্য = ন + ধ + য; যেমন- বিন্ধ্য
ন্ধ্র = ন + ধ + র; যেমন- রন্ধ্র
ন্ন = ন + ন; যেমন- নবান্ন
ন্ব = ন + ব; যেমন- ধন্বন্তরি
ন্ম = ন + ম; যেমন- চিন্ময়
ন্য = ন + য; যেমন- ধন্য
প্ট = প + ট; যেমন- পাটি-সাপ্টা, ক্যাপ্টেন 
প্ত = প + ত; যেমন- সুপ্ত
প্ন = প + ন; যেমন- স্বপ্ন
প্প = প + প; যেমন- ধাপ্পা
প্য = প + য; যেমন- প্রাপ্য
প্র = প + র; যেমন- ক্ষিপ্র
প্র্য = প + র + য; যেমন- প্র্যাকটিস 
প্ল = প + ল; যেমন-আপ্লুত
প্স = প + স; যেমন- লিপ্সা
ফ্র = ফ + র; যেমন- ফ্রক, ফ্রিজ, আফ্রিদী
ফ্ল = ফ + ল; যেমন- ফ্লেভার,ফ্লাইওবার
ব্জ = ব + জ; যেমন- ন্যুব্জ
ব্দ = ব + দ; যেমন- জব্দ
ব্ধ = ব + ধ; যেমন- লব্ধ
ব্ব = ব + ব; যেমন- ডাব্বা
ব্য = ব + য; যেমন- দাতব্য
ব্র = ব + র; যেমন- ব্রাহ্মণ
ব্ল = ব + ল; যেমন- ব্লাউজ
ভ্ব =ভ + ব; যেমন- ভ্বা
ভ্য = ভ + য; যেমন- সভ্য
ভ্র = ভ + র; যেমন- শুভ্র
ম্ন = ম + ন; যেমন- নিম্ন
ম্প = ম + প; যেমন- কম্প
ম্প্র = ম + প + র; যেমন- সম্প্রতি
ম্ফ = ম + ফ; যেমন- লম্ফ
ম্ব = ম + ব; যেমন- প্রতিবিম্ব
ম্ব্র = ম + ব + র; যেমন- মেম্ব্রেন 
ম্ভ = ম + ভ; যেমন- দম্ভ
ম্ভ্র = ম + ভ + র; যেমন- সম্ভ্রম
ম্ম = ম + ম; যেমন- সম্মান
ম্য = ম + য; যেমন- গ্রাম্য
ম্র = ম + র; যেমন- নম্র
ম্ল = ম + ল; যেমন- অম্ল
য্য = য + য; যেমন- ন্যায্য
র্ক = র + ক; যেমন - তর্ক
র্ক্য = র + ক + য; যেমন- অতর্ক্য (তর্ক দিয়ে যার সমাধান হয় না)
র্গ্য = র + গ + য; যেমন - বর্গ্য (বর্গসম্বন্ধীয়)
র্ঘ্য = র + ঘ + য; যেমন- দৈর্ঘ্য
র্চ্য = র + চ + য; যেমন- অর্চ্য (পূজনীয়)
র্জ্য = র + জ + য; যেমন- বর্জ্য
র্ণ্য = র + ণ + য; যেমন- বৈবর্ণ্য (বিবর্ণতা)
র্ত্য = র + ত + য; যেমন- মর্ত্য
র্থ্য = র + থ + য; যেমন- সামর্থ্য
র্ব্য = র + ব + য; যেমন- নৈর্ব্যক্তিক
র্ম্য = র + ম + য; যেমন- নৈষ্কর্ম্য
র্শ্য = র + শ + য; যেমন- অস্পর্শ্য
র্ষ্য = র + ষ + য; যেমন- ঔৎকর্ষ্য
র্হ্য = র + হ + য; যেমন- গর্হ্য
র্খ = র + খ; যেমন- মূর্খ
র্গ = র + গ; যেমন- দুর্গ
র্গ্র = র + গ + র; যেমন- দুর্গ্রহ, নির্গ্রন্হ
র্ঘ = র + ঘ; যেমন- দীর্ঘ
র্চ = র + চ; যেমন- অর্চনা
র্ছ = র + ছ; যেমন- মূর্ছনা
র্জ = র + জ; যেমন- অর্জন

র্ণ = র + ণ; যেমন- বর্ণ
র্ত = র + ত; যেমন- ক্ষুধার্ত
র্ত্র = র + ত + র; যেমন- কর্ত্রী
র্থ = র + থ; যেমন- অর্থ
র্দ = র + দ; যেমন- নির্দয়
র্দ্ব = র + দ + ব; যেমন- নির্দ্বিধা
র্দ্র = র + দ + র; যেমন- আর্দ্র
র্ধ = র + ধ; যেমন- গোলার্ধ
র্ধ্ব = র + ধ + ব; যেমন- ঊর্ধ্ব
র্ন = র + ন; যেমন- দুর্নাম
র্প = র + প; যেমন- দর্প
র্ফ = র + ফ; যেমন- স্কার্ফ (মন্তব্য: মূলত ইংরেজি ও আরবী-ফার্সি কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
র্ভ = র + ভ; যেমন- গর্ভ
র্ম = র + ম; যেমন- ধর্ম
র্য = র + য; যেমন- আর্য
র্ল = র + ল; যেমন- দুর্লভ
র্শ = র + শ; যেমন- স্পর্শ
র্শ্ব = র+ শ + ব; যেমন- পার্শ্ব
র্ষ = র + ষ; যেমন- ঘর্ষণ
র্স = র + স; যেমন- জার্সি, নার্স, পার্সেল, কুর্সিত
র্হ = র + হ; যেমন- গার্হস্থ্য
র্ঢ্য = র + ঢ + য; যেমন- দার্ঢ্য (অর্থাৎ দৃঢ়তা)
ল্ক = ল + ক; যেমন- শুল্ক
ল্ক্য = ল + ক + য; যেমন- যাজ্ঞবল্ক্য
ল্গ = ল + গ; যেমন- বল্গা
ল্ট = ল + ট; যেমন- উল্টো
ল্ড = ল + ড; যেমন- ফিল্ডিং 
ল্প = ল + প; যেমন- বিকল্প
ল্ফ = ল + ফ; যেমন- গল্ফ 
ল্ব = ল + ব; যেমন- বিল্ব, বাল্ব
ল্ভ = ল + ভ; যেমন- প্রগল্ভ
ল্ম = ল + ম; যেমন- গুল্ম
ল্য = ল + য; যেমন- তারল্য
ল্ল = ল + ল; যেমন- উল্লাস
শ্চ = শ + চ; যেমন- পুনশ্চ
শ্ছ = শ + ছ; যেমন- শিরশ্ছেদ
শ্ন = শ + ন; যেমন- প্রশ্ন
শ্ব = শ + ব; যেমন- বিশ্ব
শ্ম = শ + ম; যেমন- জীবাশ্ম
শ্য = শ + য; যেমন- অবশ্য
শ্র = শ + র; যেমন- মিশ্র
শ্ল = শ + ল; যেমন- অশ্লীল
ষ্ক = ষ + ক; যেমন- শুষ্ক
ষ্ক্র = ষ + ক + র; যেমন- নিষ্ক্রিয়
ষ্ট = ষ + ট; যেমন- কষ্ট
ষ্ট্য = ষ + ট + য; যেমন- বৈশিষ্ট্য
ষ্ট্র = ষ + ট + র; যেমন- রাষ্ট্র
ষ্ঠ = ষ + ঠ; যেমন- শ্রেষ্ঠ
ষ্ঠ্য = ষ + ঠ + য; যেমন- নিষ্ঠ্যূত
ষ্ণ = ষ + ণ; যেমন- কৃষ্ণ
ষ্প = ষ + প; যেমন- নিষ্পাপ
ষ্প্র = ষ + প + র; যেমন- নিষ্প্রয়োজন
ষ্ফ = ষ + ফ; যেমন- নিষ্ফল
ষ্ব = ষ + ব; যেমন- মাতৃষ্বসা
ষ্ম = ষ + ম; যেমন- উষ্ম
ষ্য = ষ + য; যেমন- শিষ্য
স্ক = স + ক; যেমন- মনোস্কামনা
স্ক্র = স + ক্র; যেমন- ইস্ক্রু 
স্ত = স + ত; যেমন- ব্যস্ত
স্ত্ব = স + ত + ব; যেমন- বহিস্ত্বক
স্ত্য = স + ত + য; যেমন-অস্ত্যর্থ
স্ত্র = স + ত + র; যেমন- স্ত্রী
স্থ = স + থ; যেমন- দুঃস্থ
স্থ্য = স + থ + য; যেমন- স্বাস্থ্য
স্ন = স + ন; যেমন- স্নান
স্প = স + প; যেমন- আস্পর্ধা

স্ফ = স + ফ; যেমন- আস্ফালন
স্ব = স + ব; যেমন- স্বর
স্ম = স + ম; যেমন- স্মরণ
স্য = স + য; যেমন- শস্য
স্র = স + র; যেমন- অজস্র
স্ল = স + ল; যেমন- স্লোগান
হ্ণ = হ + ণ; যেমন- অপরাহ্ণ
হ্ন = হ + ন; যেমন- চিহ্ন
হ্ব = হ + ব; যেমন- আহ্বান
হ্ম = হ + ম; যেমন- ব্রাহ্মণ
হ্য = হ + য; যেমন- বাহ্য
হ্র = হ + র; যেমন- হ্রদ
হ্ল = হ + ল; যেমন- আহ্লাদ




এই লেখা গুলোতে যদি কোন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন। এবং কোন কিছু যদি জানার থাকে তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন।

এই ছিল আজকের টিপস ভালো লাগলে লাইক শেয়ার কমেন্ট করবেন।
সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন, আবার কথা হবে পরবর্তী  কোন নতুন  পোস্ট এ।


Tuesday, October 16, 2018

How to hacking to any wifi Pasward

Many are asking, how to show WiFi password.


Let's take these tips today for them.

If you want to see a WiFi password, you must have WiFi Connect.

Then you can see the password for that WiFi. I'll discuss it with you now.


1 / First of all open any web browser on your phone.

2 / After the search, enter the search at 192.168.0.1. Click on search.

Then, in front of you, a function called Sing In will come, there you will be given a username. If you want username, admin and paste it, you will get admin Pasward.

For most WiFi users have Username and Pasward Admin.


Then log in. Or sign up Then you will be taken directly to the TP Link's website.

After going there, there is a function called Wireless, press it there, then again there is another function called Wireless Security, press here, after giving it

Come down a little bit.


You can see the name of your site when it is coming.

And below shows the WiFi password you used to show. You can also change the password from here. And you can control everything.


This way you can see any WiFi password too easily.


That was today's tips.

Everyone will be good to be healthy and talk about any other tips or story.

Like and share comment.

thanks to everyone.

Romanbd14.blogspot.com

Monday, October 15, 2018

যেকোন ওয়াইফাই এর পাচওয়ার্ড দেখতে পারবেন শুধু মাত্র এই কাজটি করার ফলে।


অনেকেই প্রশ্ন করছেন, যে কিভাবে ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড দেখা যায়।

তাদের জন্য আজকে এই টিপসটি নিয়ে আসলাম। 
অনেকেই কিন্তু বলে থাকেন যে ওয়াইফাই হেক করা যায় কিন্তু এই কথাটার আসলেই কোন সত্যতা নেই কারন এমন কোন সফটওয়ার  নেই যা দ্বারা  ওয়াইফাই হেক করা যায়। তবে যদি ওয়াইফাই  যদি কানেক্ট থাকে তাহলে আপনি পাছওয়ার্ড দেখতে পারবেন।
আপনি যদি কোন ওয়াইফাই এর পাসওয়ার্ড দেখতে চান তাহলে অবশ্যই, আপনার ওয়াইফাইটি কানেক্ট থাকতে হবে। 
তারপর আপনি  ওই ওয়াইফাইটির পাসওয়ার্ড দেখতে পারবেন। এটি কিভাবে করবেন এটি আমি এখন আপনাদের সাথে আলোচনা করবো।

১/ প্রথমে আপনার ফোনের যে কোন একটি ওয়েব ব্রাউজার ওপেন করুন। 
২/ ওপেন করার পর সার্চের ওখানে লিখবেন 192.168.0.1  এই ঠিকানাটি। সার্চ এ ক্লিক করুন। 
এরপর আপনার সামনে, Sing In নামে একটি ফাংশন চলে আসবে, ওখানে আপনি Username দিতে হবে। আপনি Username, admin দিবেন ও Pasward চাবে ওখানে  আপনি admin Pasward দিবেন।
বেশিরভাগ ওয়াইফাই এর ক্ষেত্রে Username এবং Pasward admin  থাকে। 

এরপর লগইন দিবেন। বা সাইনআপ করেদিবেন। এরপর আপনাকে সরাসরি নিয়ে যাবে টিপি লিংক এর ওয়েবসাইটে।
ওখানে যাওয়ার পর,  Wireless  নামে একটি ফাংশন আছে, ওখানে চাপ দিন, এরপর আবার Wireless security নামে আরেকটি ফাংশন আছে এখানে  চাপ দিন, দেয়ার পর 
একটু নিচে চলে আসুন।

আসার পর দেখতে পারবেন ওখানে আপনার সাইটের নাম দেখাচ্ছে। 
এবং নিচে আপনার ব্যবহারকৃত ওয়াইফাইটির পাসওয়ার্ড দেখাচ্ছে। এখান থেকে চাইলে আপনি পাসওয়ার্ডটিও চেঞ্জ করতে পারবেন। এবং সবকিছু আপনি নিয়ন্তন করতে পারবেন। 

এভাবেই আপনি যেকোন ওয়াইফাই এর পাচওয়ার্ড দেখতে পারবেন খুব সহজেই।

এটাই  ছিল আজকের টিপস। 
সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন আবার কথা হবে অন্য কোন টিপস বা গল্পে।
Like and share comment করুন।
ধন্যবাদ সবাইকে।
Romanbd14.blogspot.com

Wednesday, October 10, 2018

The Real Love History


 ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥

একটি মিষ্টি ভালবাসার কল্প কথা।

একটু সময় করুন আশা করছি সবারই ভাল লাগবে।

★ আজকে কলেজের প্রথম ক্লাশ শুরু হল সবাই একটু আগ্রহে  কৌতুহলে কলেজে এসেছে। কিন্তু শ্রাবন ও মেঘনামের দুজন ছেলে মেয়ের আসতে একটু লেট হয়ে গেছে।  তারা যখন কলেজে আসল তখন দেখল কলেজের গেট বন্ধ, কারণ তখন ক্লাশের ঘণ্টা পরে গিয়ে ছিল। ত তারা গেটে নক করল, তারপর দরজাটা খুলে দিল। এবং তারা দুজন একসাথেই কলেজের গেট অতিক্রম করল। কিছু দূর যাওয়ার পরে হঠাৎ মেঘের নামের মেয়েটির চোখের ভিতরে কি যেন পরল, ত ওই মেয়েটি আর কাওকে আসপাশে দেখতে না পেরে বাধ্য হল পাশের ওই ছেলেটিকে ডাকতে, কেউ কাওকে  কিন্তু চিনে না, মেঘ বলছে এদিকে আসবেন পিল্চ আমার চোখের ভিতরে কি যেন পরছে একটু দেখবেন। ছেলেটি এগিয়ে আসলো মেয়েটির দিকে, এবং ছেলেটি তার চোখের ময়লা বের করে চোখ পরিষ্কার করে দিল। তারপর হঠাৎ তাদের চোখের দৃষ্টি পরলো তাদের দুজনের দিকে, একে অপরের দিকে তাকিয়ে রইল, তারা মনে দুজন দুজনকে পছন্দ করে ফেললো।  মেয়েটি মিষ্টি একটা হাসি দিয়ে, ছেলেটিকে  ধন্যবাদ  দিয়ে, তারা ক্লাশে চলে গেল।
প্রথম দেখাতেই ভাল লাগা, তারপর শুরু হয়ে গেল তাদের মিষ্টি ভালবাসার  গল্প।
ক্লাশ শেষ হল কলেজ ছুটি হল তারা বাড়িতে চলে গেল। পরের দিন, তাদের আবার কথা বার্তা হল নাম ঠিকানা যানা হল। ছেলেটির নাম শ্রাবণ ও মেয়েটির নাম মেঘ। প্রতিদিন অল্প অল্প করে কথা বার্তা  চলতে থাকে কিছুদিন। এভাবে কেটে গেল বেস কিছুদিন এখন দুজন দুজনকে অনেক ভালোবাসে। কিন্তু কেউ মুখ ফুটে বলতে পারে না। এভাবে চলতে থাকে আরো কিছুদিন,  শ্রাবণ সময় ও সুযোগের অপেক্ষায় রইলো, সময় বুঝে একসময় মেঘ, কে বলেই দিল আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি মেঘ। তোমাকে ছাড়া আমি একমুহুর্তও থাকতে পারি না, তুমাকে ছাড়া আমার নিশ্বাস নিতেও কষ্ট হয়,  কেমন যেন অস্তির লাগে সবসময়, তুমি আমার শয়নে স্বপনে সবসময় মিশে ,আমি তোমাকে আমার  জীবনের থেকেও বেশি ভালবাসি মেঘ। এখন তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচতে পারব না, মেঘও তো তাকে  মনে,মনে অনেক ভালোবাসে, কিন্তু বলতে পারেনা, কারণ মেয়েদের বুক ফাটে কিন্তু মুখ ফুটে না।

মেঘ বলল আমিও ত তোমাকে অনেক ভালবাসি। কিন্তু কখনো বলতে পারিনি ভয় হতো যদি তুমি রাজি না হও, তোমায় যদি হারিয়ে ফেলি, হুম আমিও তোমাকে আমার জীবনের থেকে বেশি ভালবাসি, বল তুমি আমাকে কখনো ত ছেড়ে চলে যাবে না বল, না জান তোমাকে ছেড়ে কখনো যাব না, এ জীবন যতদিন থাকবে ততদিন তুমি শুধু আমার। তোমাকে সুখ দিতে না পরলেও কখনো  কষ্ট দিব না।
দুজনে শপথ নিল কখনো কেউ কাওকে ছেড়ে দিবে না যত বাধাই আসুক না কেন, এই বলে দুজনে দুজনকে জড়িয়ে ধরল , তারপর এভাবে কেটে গেল একটি বছর। আজকে মেঘের জন্মদিন।
তাই  শ্রাবণ মনে মনে ভাবল তাকে কিভাবে সারপ্রাইজ দেওয়া যায়, এজন্য শ্রাবণ মেঘ কে বলল আমারা যেখানে প্রতিনিয়ত দেখা করি ওই জায়গায় আস, মেঘ বলল ঠিকআছে আমি আতেছি। মেঘ খুব তারাতারি করে ওখানে চলে গেল। গিয়ে দেখল শ্রাবণ এখনো আসেনি। মেঘ শ্রাবণ এর জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো, কিছুক্ষন পরেই দেখলো শ্রাবণ মটর সাইকেল নিয়ে আসতেছে, মেঘ দূর থেকেই শ্রাবণ এর দিকে চেয়ে আছে, হঠাৎ দেখলো একটি ট্রাক শ্রাবণের মটর সাইকেল কে ধাক্কা মারল। আর শ্রাবণ ছিটকে গিয়ে মাটিতে পরলো, মেঘের চোখকে বিশ্বাসই করাতে পারছে যে, শ্রাবণের এক্সিডেন হইছে,  মেঘ চিৎকার মেরে দৌরে গেল শ্রাবণের কাছে, গিয়ে দেখলো রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পরে আছে।

শ্রাবণের চোখ মুখে অনেক রক্ত লেগে আছে,  শরীলের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত বিক্ষত হয়ে গেছে।  মেঘ একটি গাড়ি দাড় করালো এবং শ্রাবণকে হাসপাতালে নিয়ে গেল।
★এই দূরর্ঘটনার কারনে শ্রাবণ মেঘের ভালবাসার আকাশে নেমে আসলো,  এক ঝড় যে ঝড় সবকিছু ভেঙ্গে চুরমার করে দিল দুজনের সুন্দর জীবনকে।

তারপর শ্রাবণকে ইমারজেনসীতে ভর্তি করা হল। ডাক্তার ১ ঘণ্টা পরে বের হল ডাক্তার বললো, আপনি উনার কি হন? মেঘ বললো আমি উনার স্ত্রী। ও কেমন আছে,  বেশি ভাল নেই, উনার শরিল থেকে অনেক রক্ত ঝরছে তাই রক্ত লাগবে এবং উনার মুখ একসাইট নষ্ট হয়ে গেছে ও চোখের উপর অনেক ঝুড়ে আঘাত  লাগার কারনে তার চোখের দুটি মনিই নষ্ট হয়ে গেছে। হয়ত সে আর কখনো দেখতে পারবে না,  এ কথা শুনে মেঘের উপর যেন আকাশটা ভেঙ্গে পরল,  মেঘ এর চোখ দিয়ে অঝরে জল ঝরতে  থাকলো।  মেঘ বললো,  ডাক্তার আঙ্কেল আপনি  আমার একটা চোখ নিয়ে তার চোখ লাগিয়ে দিন।
আপনি কি বলছেন ভেবে বলছেন ত !
 হে আমি সব ভেবেই বলছি, পিল্চ আপনি তার চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে দিন, অনেক কষ্টে ডাক্তার কে রাজি করালো, তারপর অপারেশন করা হল।
মেঘের একটি চোখ শ্রাবণ কে দিয়ে দিলো।
*
অপারেশনের ৩ দিন পর যখন শ্রাবণের চোখের বেন্ডজ খোলা হল। তখন মেঘ শ্রাবণের সামনেই বসে আছে, যখন বেন্ডজ খোলা শেষ হল,  ডাক্তার আস্তে আস্তে চোখ খুলতে বললো, শ্রাবণ  চোখ মেলতেই দেখলো তার সামনে মেঘ বসে আছে।  কিন্তু শ্রাবণ একটি মাত্র চোখ দিয়ে দেখতে পেল।
 তাই,  শ্রাবণ ডাক্তার কে বললো, আমি ত,  একটি মাত্র চোখ দিয়ে দেখতে পাচ্ছি আরেকটি দিয়ে ত দেখতে পাচ্ছি না, তখন ডাক্তার সবকিছু খুলে বললো, আপনার দুটি চোখি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল তখন আপনার স্ত্রী আপনাকে একটি চোখ দিয়েছে বলেই আপনি এখন একটি চোখ দিয়ে দেখতে পাচ্ছেন। না হলে আপনাকে সারা জীবন অন্ধকারই দেখতে হত। এই কথা শুনে শ্রাবণের মাথায় যেন বাজ পরলো , তার ভেতরটা যেন কষ্টে ফেটে যাচ্ছে। শ্রাবণ মেঘকে বলল
এটা তুমি কি করলে কেন তোমার সুন্দর জীবনটা নষ্ট করলে আমি না হয় সারাজীবন অন্ধই থাকতাম। কেন তুমি আমার চোখে আলো দিলে, তোমার চোখের আলো নিভিয়ে, তোমাকে নিয়ে তোমার বাবা -মা র কত স্বপ্ন ছিল সবি ত বিফলে গেল।  এটা কিন্তু তুমি ঠিক করলে না। মেঘ বললো, তুমি কি যাননা, তুমি আমার কে, তুমিই ত আমার জীবন-মরন আশা-স্বপ্নন - আধার-আলো তুমিই ত আমার সব। তাহলে তোমার জন্য এই সামান্য কিছু করতে পারব না, তোমার জন্য যদি আমার জীবনটাও দিতে হত তাহলে আমি দিয়ে দিতাম। তারা দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরলো, কেন তুমি আমাকে এত ভালবাসলে মেঘ, আর কেনই তোমার সুন্দর জীবনটা নষ্ট করলে, তোমাকে  দেওয়ার মত আমার কাছে ত কিছুই নেই, কে বললো যে তোমার কাছে কিছুই নেই সবি আছে।

তোমার কাছে যা আছে এটাই আমার চলবে, আমাকে ভালবাসার মত সুন্দর একটা মন আছে তোমার কাছে যাকিনা আমি কোথাও পাব না, শুধু আমাকে একটু ভালবেস,  আমিত তোমার চেহেরা গুন, ধন-সম্পতি দেখে ভালবাসি নি, আমি ত তোমার ওই মনটাকেই ভালবেসেছি। তোমার কি ওই দিনের কথা মনে নেই যে দিন আমরা দুজনেই শপথ করেছিলাম, যে যত বাধাই আসুক না কেন কখনো কাওকে ছেড়ে যাব না, তাহলে তোমাকে এ অবস্থায় রেখে কেন চলে যাব।

 যাক পরে মেঘ এর বাবা-মা কে জানায়, পরে তারা এসে হাসপাতালের দেনা  পাওনা দিয়ে দেয়। পরে মেঘের বাবা-মার সাথে মেঘের  বাড়িতে যায়।
শ্রাবণের বাবা মা নেই।  তাই মেঘ এর বাবা মা ই 
 তাদেরকে বিয়ে দিয়ে একই বন্ধনে আবদ্ধ করে দিলো, দেখতে দেখতে কেটে গেল ১ বছর,  তারপর তাদের ঘড়কে আলোকিত করে জন্ম নিল একটি শিশু, তার বাবা মায়ের নামের সাথেই সম্পকিত করে নাম রাখা হল বৃষ্টি।  শ্রাবণ,  মেঘের,  বৃষ্টি।
 এভাবেই তাদের সুখে শান্তিতে, দিন চলতে থাকে।


*** আজকাল কিন্তু এধরনের ভালবাসা দেখা যায় না । এখন সবাই ,সুন্দর চেহেরা ধন সম্পতি এসব দেখে, কেউ আর সুন্দর ভাল মন খুজে না,  এজন্যই প্রতিনিয়ত চলছে ব্রেকাপ। তাই সবার কাছে একটা ই রিকুএষ্ট সবাই সুন্দর একটা মন খুজুন দেখবেন সুখে থাকবেন। 

এই ছিল আজকের গল্প।
আপনাদের সময় নষ্ট হবে বলে গল্পটি অনেক ছোট করে লিখা হয়েছে। এখানে যা কিছু লিখেছি এখানে কোন ভুল তূটি হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। 

আর ভালো লাগলে লাইক শেয়ার কমেন্ট করে আমাদের আগ্রহ বারিয়ে দিন যাতে করে আমরা আরো সুন্দর সুন্দর আপনাদেরকে উপহার দিতে পারি।

সবাই সুস্থ থাকবেন ভাল থাকবেন, আবার দেখা হবে কথা হবে নতুন কোন গল্পে
Roman14.blogspot.com  এ।
আল্লাহ হাফেজ।
♥♥ রুমান♥♥ © ®

Friday, October 5, 2018

একটি শিক্ষনীয় ঘটনা একটু সময় করে পড়ুন।


একটি শিক্ষনীয় ঘটনা।                   তারিখ: ৫/১০/২০১৮ ইং


 এই গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক যদি কারো জীবনের সাথে মিলে যায় আমাকে ক্ষমা করবেন।

 একটি গরিব ছেলে একটি বড় লোকের মেয়েকে ভালোবাসতো। তারা দুজনেই দুজনকে অনেক ভালবাসত। এভাবে তাদের ভালোবাসা চলতে থাকে, কিছুদিন পর মেয়েটি ছেলেটিকে বলল এভাবে আর কতদিন এখন মা বাবাকে জানিয়ে   চলো বিয়ে করে ফেলি। ছেলেটি বল্লো আচ্ছা ঠিকআছে,  আমি তোমার বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব পাঠাব। তো ছেলেটি মেয়েটির বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব পাঠালো এবং মেয়েটির পরিবার ওই ছেলেটিকে আগে থেকেই চিনত।  ছেলেটি গরিব এটা ওই মেয়েটির পরিবার জানত। তারপর যখন ছেলে আবার বিয়ের প্রস্তাব পাঠালো, তো তারা একটু রেগে গেলেন তারা বলল, যে এই গরীব ছেলের সাথে আমার মেয়েকে বিয়ে দিব, সে আমার মেয়েকে কি দিতে পারবে কষ্ট ছাড়া, এসব বলল এবং কি তারা সরাসরি না করে দিল ছেলেটিকে যে তার সাথে বিয়ে দিবে না এসব কথা শুনে ছেলেটির মনটা অনেক খারাপ হয়ে গেল। ছেলেটি অনেক কষ্ট পেল এবং অনেক কাঁদতে শুরু করল। এরপর মেয়েটির বাবা-মা তার মেয়েটিকে ওই ছেলের সাথে আর দেখা করতে দিত না কোন প্রকার যোগাযোগ ও না। এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর ছেলেটির সেনাবাহিনীতে চাকরি হলো, এই কথা মেয়ের পরিবার পরে শুনতে পেলো,  হঠাৎ করে মেয়েটির বাবা-মা তাঁরা নিজেই এসে বিয়েতে রাজি এ কথা জানিয়ে গেল।ছেলেটি  হাসতে লাগল, এই ভেবে যে যখন তার খারাপ অবস্থা ছিল তখন না করলো আর এখন একটি চাকরি হলো তার জন্য এই তার চাওয়াটা পূরণ হয়ে গেল। পৃথিবী সত্যি একটি আজব একটি পৃথিবী যখন মানুষের অবস্থা ছোট থাকে তখন অন্য মানুষরা কোন পাত্তা দেয় না সে যত ভালোই হোক না কেন যদি সে গরীব হয়। অন্যদিকে যদি কারো টাকা পয়সা থাকে তার স্বভাব চরিত্র এসব কিছু দেখেনা সব কিছুতেই রাজি হয়ে যায়। তাই সবার জন্য একটি কথা বলতে চাই সবাই নিজের নিজের জীবনকে সুন্দরভাবে সাজান তাহলেই দেখবেন যে জিনিস গুলো আপনি কল্পনাও করতে পারেননি এমন জিনিস আপনি পেয়ে যাবেন। কারণ এখন সবাই ভালো একটা ক্যারিয়ারই খোঁজে যার টাকা আছে তাকে খুঁজে সবাই। তাই অন্য বাজে চিন্তা বাদ দিয়ে নিজের জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলুন নিজের জিবনকে ভালবাসতে শিখুন দেখবেন একদিন আপনিও সফলতার শিরসে পৌছেযাবেন।


কোন প্রকার মন্তব্য থাকলে কমেন্ট করে যানাবেন।
ভাল লাগলে সেয়ার করবেন, যদি এই গল্প থেকে কারো একটু উপকার হয় বা একটুও নিজের প্রতি আত্তবিশ্বাস জন্মে তাহলে আমার লেখাটা সার্থক হবে।
কারা নতুন সব খবর এবং গল্প পেতে আমার এই সাইটকে

Subscibe করে আমাদের সাথে থাকুন।

এবং লাইক শেয়ার কমেন্ট করে আমাদের লিখতে আরো উৎসাহিত করুন সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

Search My site Tipeing

Roman14.Blogspot.com

Thursday, October 4, 2018

দিন দিন বেরেই চলছে দূর ঘটনা আজ দুপুরের দিকে ময়মনসিংহ জেলার, ফুলবাড়িয়া থানার সোয়াইত পুর গ্রামে একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে এই দুর্ঘটনায় একজন স্কুলপড়ুয়া শিশু খুব মারাত্মক ভাবে আহত হয় শিশুটিকে ময়মনসিংহ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তার মাথার এক্সাইড ও চোখ নষ্ট হয়ে যায় কিছু কিছু বিশেষ কারণে এসব দুর্ঘটনা হচ্ছে  , প্রতিনিয়ত দিতে হচ্ছে অনেক মানুষের প্রাণ। এই দুরর্ঘটনা পেছনে কিছু কারন লুকিয়ে আছে এসব কারনের জন্যই মূলত বেশিই দূরঘটনা হচ্ছে। এর প্রধান কিছু কারন হচ্ছে,

মানুষের অচেতন অবস্থায় রাস্তা পার হওয়া, যখন একজন মানুষ রাস্তা পার হচ্ছে তখন তার উচিত রাস্তার গাড়ি গুলো ভাল ভাবে দেখে রাস্তা পার হওয়া কিন্তু অনেই হুট করে পার হওয়ার কারনে এখটু ভুলের কারনে দিতে হচ্ছে নিজের প্রাণ ও পোহাতে হচ্ছে  নানা ধরনের বারতি জামেলা।
তাই আমাদের উচিত রাস্তা পার হবার সময় ভাল ভাবে দেখে পার হওয়া বেশি তারাহুরা করা একদমি ঠিক না ।
রাস্তার বিভিন্ন ধরনের তিন চাকার জানবাহনের কারনে,  এই গাড়ি গুলার গতি অনুযায়ী ব্রেক না কারনে প্রতিনিয়ত হচ্ছে দূরঘটনা।
এবং বিষেশ করে গ্রামের কিছু কিছু রাস্তা খারাবের জন্য ও বেশ দূরঘটনা। কবে যে এই দূরঘটনার হাত থেকে আমারা রক্ষা পাব।





Roman bd 24 news 

Recent

3/recent-posts